গণঅভুত্থানের ভাষা এবং জন আকাঙ্ক্ষা: দার্শনিক বাস্তবতা
ভাষা কি? বিগ আদার। কারণ ভাষা এতো বড়ো যে মানুশকে ঐক্যবদ্ধ রাখে, এবং এরে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ব্যক্তি। যেহেতু পলাইতেও পারা যায় না এর সীমানা থেইকা, ফলে অনাবিষ্কৃত এক আদার হলো ভাষা, বিগ আদার। যেটার ফাংশন সমাজে হয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের তফাত করতে পারা জরুরী এজন্য। গণঅভ্যুত্থানের ভাষা বুঝতে সমাজ বুঝা লাগবে তাই, জন আকাঙ্ক্ষার ব্যাপারেও একি কথা। তবেই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে উপলব্ধিযোগ্য করা যাবে ও রাষ্ট্রগঠনে মনোযোগ দেয়া যাবে। অন্যথায় সমাজ ও রাষ্ট্রের ফাংশনে নানান গ্যাঞ্জাম দেখা যাবে, ব্যক্তি ও পলিটিকাল পার্টি একাকার হয়ে যাবে। লেখক যেহেতু একটা দার্শনিক বাস্তবতার বয়ান দিচ্ছেন, সেহেতু সংজ্ঞায়নগুলো খেয়াল করতে পারা দরকার। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশীরা কি কি আশা ও প্রত্যাখ্যান করছে তার বয়ান, ও অনেকগুলো কেন এর উত্তর দেবার ভিতর দিয়া লেখক ওইগুলারে কেন ও কিভাবে এমপাওয়ার্ড করা লাগবে তার কানপড়া দিচ্ছেন। এই করতে গিয়া রাজনৈতিক স্থিরতা কেন দরকারি ও রাষ্ট্রকে ব্যক্তি হিসেবে কল্পনা না করবার আলাপ দিচ্ছেন। এবং রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠানের প্রতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী না হইয়া ট্রায়াল এন্ড এররের উপর ভরসা রাখবার জরুরত তুলে ধরেছেন।—সম্পাদক
বাহাছ — লাল জুলাই। দ্বিতীয় সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০২৪। ছত্রিশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিশেষ সংখ্যা। ৩০+ প্রবন্ধে জুলাই বিপ্লবের রাজনৈতিক, দার্শনিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ। ৪২৪ পৃষ্ঠা। কানপড়া পাবলিকেশন, চট্টগ্রাম।