আর্টের তো জনরার অভাব নাই, তবুও র্যাপ কিভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাষায় পরিণত হতে পারলো? এই আলাপে ঢুকতেই আমাদের বুঝা লাগবে আর্টের লগে সারভাইভালের একটা রিশতা আছে। বাঁচা-মরার প্রশ্ন তো বটেই, সমাজে ব্যক্তি কি রাইখা যাইতে রাজি হচ্ছে ও কোশেশ চালাচ্ছে, তা ধরতে পারলে আমরা বুঝবো রিয়েল আর্ট’রে স্বীকৃতি দেয়া কেন জরুরি। গণহত্যা যেমন ঘটাইতে আর্ট লাগে, তেমনি গণহত্যা থেইকা বাঁচতেও আর্ট লাগে। চব্বিশে র্যাপারদের গলা দিয়াই আমরা পাপেট পিএম’রে ইন্ডিয়া ভাগাইছি। ফলে র্যাপ’রে যদি কেউ এই জমানার গণসঙ্গীত দাবি করে, তাতে যেটা হবে সেটা হচ্ছে আসল শিল্পের স্বীকৃতি প্রদান।—সম্পাদক
বাহাছ — লাল জুলাই। দ্বিতীয় সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০২৪। ছত্রিশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিশেষ সংখ্যা। ৩০+ প্রবন্ধে জুলাই বিপ্লবের রাজনৈতিক, দার্শনিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ। ৪২৪ পৃষ্ঠা। কানপড়া পাবলিকেশন, চট্টগ্রাম।